Description
আমাদের দেশে জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো মুড়ি, সরু ধানের চিকন চাল হতে হাতে ভাজা চিকন মড়ি তৈরি করা হয়।
মুড়ি তৈরির নিয়ম
* মুড়ি ভাজার উপযোগী সরু ধান বেছে নিতে হবে।
* ধানগুলো একটি বড় পাত্রে (কড়াই, পাতিল,
ব্যারেল, হাফ ড্রাম) সমান সমান পানি দিয়ে সেদ্ধ
করতে হবে ।
* যতক্ষণ পর্যন্ত দু’একটি ধান ফেটে চাল না
বের হয় ততক্ষণ পর্যন্ত সেদ্ধ করতে হবে।
* ধান সিদ্ধ হলে অন্য একটি পাত্রে পানিতে
ভিজিয়ে রাখতে হবে।
* পরদিন সকালে ধানগুলো আবার সেদ্ধ করতে
হবে।
* এর পর ধানগুলো পানি থেকে ছেঁকে নিয়ে
পরিস্কার একটি স্থানে বা চাতালে ছড়িয়ে দিতে
হবে। কড়া রোদে দিলে এক দিনেই ধান শুকিয়ে যায়।
* শুকনো ধানগুলো ঢেঁকিতে ভাঙ্গাতে হবে যেন
খোসাগুলো আলাদা হয়ে যায়। অথবা ধানভাঙ্গার
মেশিনেও চাল তৈরি করা যায়।
* এবার কুলায় ঝেড়ে চালগুলো খোসা (তুষ) থেকে
আলাদা করে ফেলতে হবে।
* মুড়ি ভাজতে ২টি চুলা দরকার হয়। একটি চুলায়
চালগুলো অনবরত নাড়তে হয় যেন সেগুলো বাদামী
হয়ে যায়। অন্য চুলায় বালি গরম করতে হয়। চুলায়
দেওয়ার আগে চালগুলোতে লবণ ও সামান্য পানি
মাখিয়ে নিতে হবে।
* চাল উত্তপ্ত হয়ে যে সময় দুই একটি ফুটতে
থাকবে তখন গরম বালির পাত্রে চালগুলো ঢেলে
দিয়ে ক্রমাগতভাবে নাড়তে হবে। এভাবে নাড়তে
থাকলে সবগুলো চাল ফুটে যাবে।
* চাল ফোটা শেষ হলে চালুনী বা ছিদ্রযুক্ত
পাত্রে ঢেলে নাড়া দিলে মুড়িগুলো বালি থেকে
আলাদা হয়ে যাবে।
হাতে ভাজা চিকন মুড়ির পুষ্টিগুনঃ–
লো ক্যালরি :
কম ক্যালরির পেট ভরানোর খাবার মানেই মুড়ি। যাদের বার বার ক্ষিধে পায়, অথচ সারাদিনে বেশিরভাগ সময়ে অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করার জন্যে শরীরে ক্যালরির চাহিদা কম, তাদের জন্যে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে মুড়ি হতে পারে আদর্শ খাবার।
এসিডিটির যম:
মুড়ি এসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মুড়ির বিকল্প নেই। তাই মুড়ি এসিডিটির যম।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ::
রক্তচাপের সমস্যা আজকাল সব বয়সের মানুষের ই কম-বেশি হয়ে থাকে।আর মুড়িতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম। তাই এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি হ্রদ রোগের ঝুঁকি কমাই।
মুড়িতে রয়েছে নিউরোট্রান্সমিটার পুষ্টিগুণ। ফলে মুড়ি খেলে মস্তিষ্কের স্নায়ু উদ্দীপনাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। এটি মস্তিষ্কের উন্নতি এবং কগনেটিভ ফাংশনের উন্নিতে সাহায্য করে।
পেটের সমস্যা::
পেটের সমস্যায় শুকনো মুড়ি কিংবা ভেজা মুড়ি খেলে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা::
মুড়িতে ভিটামিন বি এবং প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই করোনা কালে ভিটামিন সি জাতীয় খাবারের পাশাপাশি মুড়ি ও কিন্তু আপনাকে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করবে।
হাড় ও দাঁত ::
মুড়ি ভিটামিন ডি, রাইবোফ্লাভিন এবং থিয়ামিনের উৎস। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফাইবার। তাই মুড়ি খেলে হাড় ও দাঁত শক্ত হয়।সুতরাং,বুড়া বয়সেও দাঁত দিয়ে গরুর হাড়-মাংস চিবিয়ে খেতে আপনাকে সহায়তা করবে এই মুড়ি।
শক্তির উৎস::
মুড়িতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে শর্করা। এটি আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন কাজে সক্রিয় থাকতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে মুড়ি।
ডায়েট এর ক্ষেত্রে:
আজকাল মানুষ শরীর নিয়ে বেশ সচেতন।ছেলে-মেয়ে, ছোট-বড় নির্বিশেষে সকলকে আজকাল ডায়েট করতে দেখা যায়।ডায়েট এর ক্ষেত্রে এই মুড়ি আপনাকে খুব ভাল কাজ দিবে।ক্ষিধে লাগলে ঝটপট মুড়ি খেয়ে নিবেন।এতে না আছে ক্যালরি বাড়ার চিন্তা, না আছে ফ্যাট বাড়ার সম্ভাবনা ।






Reviews
There are no reviews yet.