Description
১/ আনুমানিক, একশ বছর আগে থেকে দিনাজপুর জেলায় সুগন্ধি কাটারিভোগের চাষাবাদ হচ্ছে। খেতে সুস্বাদু এই কাটারিভোগ চাল মাথার দিকে ছুরির মতো একটুখানি চোখা ও বাঁকা।
২/ কাটারিভোগ চাল দিয়ে পোলাও ছাড়া মজাদার বিরিয়ানি, জর্দা, পায়েশ ও ফিরনি রান্না করা হয়।
৩/ মজার ব্যাপার হলো, এই কাটারিভোগ চাল পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ তো দূরে থাক, বাংলাদেশেরই অন্য কোনো জেলায় রোপণ করলে ঘ্রাণ ও স্বাদ বদলে যায়। এমনকি দিনাজপুরের সব এলাকাতেও কাটারিভোগ ধান চাষাবাদ হয় না।
দিনাজপুর সদর উপজেলার ফাশিলাহাট, ছোট বাউল, বড় বাউল, করিমুল্যাপুর, খানপুর, চিরিরবন্দর উপজেলায় কাউগাঁ, বিষ্টপুর, তালপুকুর মুকুন্দপুর, দুর্গাডাঙ্গা, ভিয়াইল, পশ্চিম বাউল ও কাহারোল উপজেলার দু-একটি উঁচু জায়গায় এ বিশেষ জাতের ধান চাষ হয়।
৪/ উঁচু বেলে-দোআঁশ মাটি কাটারিভোগ চাষের উপযোগী। তাই এটি একশ বছর ধরে শুধু এই জেলায় ঐতিহ্যবাহী পণ্য হিসেবে পরিচিত।
৫/ তাই তো জিআই পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের কাটারিভোগ চাল নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে রয়েছে। G এর পূর্ণরূপ হলো Global Identity বা ভৌগোলিক নির্দেশক। বাংলাদেশ সরকার দেশের ঐতিহ্যবাহী আরও ২৩ পণ্যের জন্য জিআই নিবন্ধন পেতে আবেদন করেছেন।
৬/ কাটারিভোগ চাল নিয়ে একটি গল্প প্রচলিত আছে। মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁর দরবারে দিনাজপুরের রাজা প্রাণনাথকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। রাজার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই একজন সম্রাটের সঙ্গে দেখা করার সময় যে কেউই কিছু উপঢৌকন নিয়ে যায়। রাজাও সম্রাটকে খুশি করার জন্য হীরা, পান্না, স্বর্ণমুদ্রার সাথে কাটারিভোগ চাল নিয়ে যান। সম্রাট আওরঙ্গজেব উপঢৌকন হিসেবে পেয়ে যতটা না খুশি হয়েছিলেন, তার থেকে বেশি খুশি হয়েছিলেন কাটারিভোগ চাল পেয়ে। দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা বিচার করার বদলে সম্রাট প্রাণনাথকে ‘মহারাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
৭/ আবহাওয়াগত পরিবর্তন, কৃষকের ন্যায্য দাম না পাওয়া ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কাটারিভোগ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে সেই দিক বিবেচনা করে চালওয়ালা দিনাজপুর থেকে কাটারিভোগ চাল আমদানি করেছে যা পৌছে দেবে আপনার দরজায় ।
“চালওয়ালা” র কাটারিভোগ চাল কেন খাবেনঃ–
১/কৃষক পর্যায়ে ধানের খেতে সর্বোচ্চ জৈব সারের ব্যবহার।
২/উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকারক কীটনাশকের ব্যবহার মুক্ত।
৩/সরাসরি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কৃষক হতে বাছাইকৃত ধান থেকে চাল করা হয়েছে।
৪/নিজস্ব চাতাল ও মিল হতে চাল উৎপাদন ও সরবরাহ।
৫/গ্রামের হাস্কিং মিলে ভাঙানো স্বাস্থ্যসম্মত চাল।
৬/ফাইবার সমৃদ্ধ পুষ্টিগুন সম্পন্ন চাল।
৭/ক্ষতিকর ইউরিয়া সার, মোম পলিশ , ব্রাইটনার, কংকর, লাল, মরা ও স্যালাইন পানি মুক্ত।
৮/উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং প্যাকেজিংয়ে নিজস্ব তদারকি।
৯/শতভাগ ভেজালমুক্ত ও খাঁটি চাল।
১০/সারা বছর চালের গুনগত মান ঠিক রাখার জন্য আমারা পর্যপ্ত ধান নিজস্ব গোডাউনে মজুদ রাখি।
১১/সঠিক ব্যবস্থাপনা আর মধ্যস্বত্তভোগী না রেখে আমরা চেষ্টা করছি দামটাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে।







Reviews
There are no reviews yet.