Description
খুদকে বলা হয় ধানের ভ্রূণ । ধান ভাঙ্গানের পর চালের যে ভাংগা অংশ পাওয়া যায় তাই হলো চালের খুদ।
গ্রাম বাংলার খুব জনপ্রিয় খাবার এটি। তবে বর্তমানে শহরাঞ্চলে ও বহুল জনপ্রিয় এই খুদের চাল গুলো।
খুদ কেনো খাবেন?
* ভাতের চালের বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন।
* যে কোন ভাবে খেতেই সুস্বাদু বলে খেতে পারেন।
* সময় কম লাগে আর ঝটপট রান্না করা যায় বলে খেতে পারেন।
কিভাবে খাবেন?
* শুধু ভাত হিসেবে খেতে পারেন
* খিচুড়ী রান্না করে খেতে পারেন।
* জা ভাত হিসেবে রান্না করে খেতে পারেন
* পায়েশ বা ফিরনি রান্না করে খেতে পারেন।
* ছাতু বানিয়েও খেতে পারেন।
আমাদের লাল চালের খুদ কেন খাবেনঃ-
১/কৃষক পর্যায়ে ধানের খেতে সর্বোচ্চ জৈব সারের ব্যবহার।
২/উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকারক কীটনাশকের ব্যবহার মুক্ত।
৩/সরাসরি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কৃষক হতে বাছাইকৃত ধান থেকে চাল, চাল থেকে খুদ করা হয়েছে।
৪/নিজস্ব চাতাল ও মিল হতে চাল, চাল হতে খুদ উৎপাদন ও সরবরাহ।
৫/ফাইবার সমৃদ্ধ পুষ্টিগুন সম্পন্ন খুদ।
৬/ক্ষতিকর ইউরিয়া সার, মোম পলিশ, ব্রাইটনার, ধুলা বালি, কংকর ও স্যালাইন পানি মুক্ত।
৭/উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং প্যাকেজিংয়ে নিজস্ব তদারকি।
৮/শতভাগ ভেজালমুক্ত ও খাঁটি খুদ।
৯/সঠিক ব্যবস্থাপনা আর মধ্যস্বত্তভোগী না রেখে আমরা চেষ্টা করছি দামটাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে।
লাল চালের খুদের পুষ্টিগুন:-
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ
লাল চালের খুদে রয়েছে ফাইটিক এসিড, ফাইবার এবং এসেনসিয়াল পলিফেনলস। এটি হলো এমন একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট যা আমাদের দেহে সুগারের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। এবং আমাদেরকে ডায়াবেটিস থেকে মুক্ত রাখে। লাল চালের খুদ লো গ্লিসেমিক ইনডেক্স ফুড। তার মানে হলো হজমের পর লাল চালের খুদ থেকে সুগার কমহারে নিঃসরিত হয়। ফলে হুট করেই রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় না এবং ভালোভাবে দেহে শোষিত ও অপসারিত হয়। অন্যদিকে সাদা চাল হলো হাই গ্লিসেমিক ইনডেক্স ফুড যা সহজেই চর্বি জমায়। ফলে লাল চালের খুদ ভাত খাওয়ায় অভ্যস্থ হলে আপনি দীর্ঘ-মেয়াদি একটি জীবন-যাপন করতে পারবেন।
২. হাড়ের স্বাস্থ্য
লাল চালের খুদ আমাদের হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এটি ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। যা আমাদের হাড়কে শক্ত এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়ক।
৩. হৃদরোগ প্রতিরোধ
লাল চালের খুদ রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোতে কোনো ধরনের ব্লক তৈরি হতে দেয় না। এতে আরও আছে সেলেনিয়াম নামের একটি উপাদান যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। এটি হাইপারটনেশন এবং অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৪. হজমের জন্য ভালো
উচ্চ হারে আঁশ থাকায় এটি হজমে সহায়ক এবং গ্যাস শোষণ প্রতিরোধ করে। ফলে হজম প্রক্রিয়াকে আরো শক্তিশালি করে তোলে।
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণ
এতে আছে ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস। যা দেহের চর্বি সংশ্লেষণ এবং স্থুলতা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এর উচ্চ আঁশযুক্ত উপাদান আপানার পেট দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে বিরত রাখে।
৬. মেটাবোলিক সিন্ড্রোমের ঝুঁকি কমায়
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ আঁশযুক্ত এবং কম গ্লিসেমিক উপাদনযুক্ত খাদ্য শস্য যেমন লাল চালের খুদ খেলে মেটাবোলিক সিন্ড্রোম সৃষ্টির ঝুঁকি কমে।
৭. কোলোস্টেরল কমায়
লাল চালের খুদে যে তেল আছে তা এলডিএল কোলোস্টেরল ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনে বলে কথিত আছে। আর এ কারণেই লাল চালের খুদ আমাদের খাদ্য তালিকার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর একটি শস্য। লাল চালের খুদে থাকা আঁশ হজম পক্রিয়ায় কোলোস্টেরলকে বেধে ফেলে এবং তা নিঃসরণে সহায়তা করে।
৮. শক্তি বাড়ায়
লাল চালের খুদে আছে ম্যাগনেশিয়াম যা আমাদের শক্তি বাড়াতে সহায়ক। এটি কার্বোহাইড্রেটস এবং প্রোটিনকে শক্তিতে রুপান্তর করে। যা আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রাখে।
৯. পাথুরি রোগ প্রতিরোধ
অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশযুক্ত পূর্ণ শস্য যেমন লাল চালের খুদ পিত্তে পাথর হওয়াও ঝুঁকি কমায়। অ্যামেরিকান জার্নাল অফ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান তাদের মধ্যে পিত্তে পাথর হওয়ার ঝুঁকি ১৩% কম থাকে







Reviews
There are no reviews yet.