Description
কিশোরগঞ্জ জেলার বিখ্যাত চাল রাতাবোরো সুগন্ধি ভাতের চাল। এ চালের সুগন্ধ রান্নার পরেও অটুট থাকে। তাই, খিচুড়ি রান্নায়ও এ চাল ব্যবহারের চল রয়েছে। হাওরের কৃষ্টি ও বিস্তৃত পলিমাটি মেশা এ চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে।
সারা বাংলাদেশে এই চালের কদর রয়েছে। একবার খেলে বার বার খেতে মন চাইবে।
১/ রাতাবোরো চাল দেখতে ডিম্বাকৃতির ও মোটা। রান্না করার পর চাল টি লম্বা আকৃতির হয়। ভাত খেতে মিঠা স্বাদের। খিচুড়ির জন্যও চালটি উৎকৃষ্ট।
২/ রাতাবোরো চালে ভিটামিন বি-১, বি-৩, বি-৬ এবং ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, ফাইটিক এসিড, ফাইবার, এসেনসিয়াল পলিফেনলস, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার প্রভৃতি খনিজ পদার্থ অপেক্ষাকৃত বেশি মাত্রায় থাকে। অল্পমাত্রায় জিংকও বিদ্যমান।
৩/ রাতাবোরো চাল নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স/জিআই (Glycemic Index/GI) ফুড। ফলে হজমের পর এই চাল থেকে সুগার কম হারে নিঃসরিত হয়। ফলে হুট করেই রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় না এবং ভালোভাবে দেহে শোষিত ও অপসারিত হয়। অন্যদিকে সাদা চাল হলো উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) যা সহজেই ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং চর্বি জমায়।
৪/ রাতাবোরো চালের উচ্চ আঁশযুক্ত উপাদান পিত্তে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়, হজমে সহায়তা করে, গ্যাস শোষণ প্রতিরোধ করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে বিরত রাখে। ফলে এটি নিয়মিত খেলে হজম প্রক্রিয়া আরো শক্তিশালি হয়।
৫/ এতে আরও আছে সেলেনিয়াম নামের একটি উপাদান যা হার্টের জন্য উপকারি, হাইপারটনেশন ও অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
৬/ রাতাবোরো নিয়মিত আহারে হাড়কে শক্ত এবং স্বাস্থ্যকর রাখে ও দেহের চর্বি সংশ্লেষণ এবং স্থুলতা নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।







Reviews
There are no reviews yet.